দেশের অর্থনীতির মূলধারায় শামিল হচ্ছে মোবাইল ও হাইটেক শিল্প
ধীরে ধীরে মোবাইল এবং অন্যান্য হাইটেক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তিতে রূপান্তরিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। বলেছেন, ইন্টিলিজেন্টলি কানেক্টেড ডিভাইস এবং ইন্টার অপারেবল সার্ভিসের কল্যাণে দেশের নাগরিকরা এখন একটি ‘ডিজিটাল সমাজ’ এ বসবাস করতে পারছেন।
তিনি বলেছেন, ডিজিটাল বৈষম্য ঘুচতে ‘ইন্টারনেট’-কে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ ১০ কোটি ৮০ লাখ মানুষ ইন্টারনেট ব্যাবহার করছে। এরমধ্যে ৯৫ শতাংশই ব্যবহার করছেন মোবাইল ইন্টারনেট। আর এর কল্যাণেই দেশের শেষ প্রান্তে বসেও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে উদ্যোক্তা হচ্ছেন নারীরা। সরকার ও মোবাইল অপাটেরদের যৌথ উদ্যোগের ফলে ইন্টারনেট ইকো-সিস্টেম গড়ে ওঠায় দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি তরুণরা নানা উদ্ভাবন সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছে। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়ালের ব্যাপক প্রসারে ব্যাংক ছাড়াই ৬ কোটি ৫০ লাখ মোবাইলের মাধ্যমেই নগদ লেনদেন থেকে ডিজিটাল ‘আর্থিক অন্তর্ভূক্তি’ সম্ভব হচ্ছে।
জিএসএমএ থ্রাইভ সম্মেলনের প্রথম দিন মঙ্গলবার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বিওন্ড ভিশন ২০২১’ বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
তিনি আরো বলেন, পারস্পরিক সম্পর্কিত ৮টি উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্বে একটি আত্মমর্যাদাশীল উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের যুগান্তকারী অঙ্গীকার হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ বা ভিশন ২০২১। ডিজিটাল প্রযুক্তিকে মূল উপকরণ হিসেবে প্রয়োগের মাধ্যমে বৈষম্য দূরীকরণ, দারিদ্র বিমোচন, সুশাসন ও মানসম্পন্ন শিক্ষার মাধ্যমে সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা, সবক্ষেত্রে আইনের সমান প্রয়োগ এবং বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি ভিশন ২০২১ -এর অন্যতম লক্ষ্য।
আগামী ৫ নভেম্বর শেষ হবে তিন দিনের জিএসএমএ সম্মেলন।